“ঘরের ভেতর ব’উকে নিয়ে শু-য়ে থাকবো”- হটাৎ এবার মুখ খুলে বি-স্ফো-রক অনুব্রত, ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- নির্বাচন কমিশনের নজর-ব-ন্দি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বে-ফাঁ-স মন্তব্য করে বসলেন বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে ‘কেষ্ট দা’ । অনুব্রত মণ্ডল কে সেটি নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না ।কারণ এই অনুব্রত মণ্ডল কে চেনো না এরাজ্যের এমন কোনো মানুষ নেই । শা-সক দল থেকে বি-রোধী দলের অধিকাংশ দলীয় কর্মীরা কিন্তু এক নামে চেনে অনুব্রত মণ্ডল কে ।বলাবাহুল্য ভয় করেন কিছুটা ।কারণ তার ইঙ্গিতপূর্ণ কিছু মন্তব্য রীতিমতো গায়ে শিহরণ জাগিয়ে তোলে। এই ধরুন না ভোটের আগে ‘নকুলদানা পাচন’ ইত্যাদির আক্ষরিক শব্দ ব্যবহার করে তিনি কিসের ইঙ্গিত দিতে চায় তা প্রত্যেকের কাছে স্পষ্ট।

বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের নামে এর আগে অনেক অভিযোগ উঠে এসেছে এমনকি তিনি নিজেও অনেক বি-তর্কিত ম-ন্তব্যের জ-ড়িয়ে পড়েছেন । কিন্তু কোনো কিছুতেই তাকে দ-মানো যা-য়নি ।বলতে পারেন এই রাজ্যের রাজনীতিতে একাই রাজ করেন তিনি ।কারো পরোয়া না করে নিজের গতিতে চলতে থাকে তিনি । কে সিবিআই কে বি-রোধীদল কে পু-লিশ কাউকে তো-য়াক্কা করেন না তিনি । এবার সে অনুব্রত মন্ডল লু-কো-চুরি খে-ললেন নির্বাচন কমিশনের সাথে ।

বীরভূমের ভোটের আগের দিন থেকেই ইলেকশন কমিশন অর্থাৎ নির্বাচন কমিশন অনুব্রত মণ্ডল কে নজর ব-ন্দী ক-রেন । তিনি কোথায় যাচ্ছেন বা কার সাথে মেলামেশা করছেন বাইরে সমস্ত কিছু নজরে রাখা হবে ।আর সেই ঘটনা ঘোষণা হওয়ার পরদিন অর্থাৎ বীরভূমের ভোটের আগের দিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাথে লু-কো-চু-রি খে-লেছিলেন বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ।এই ঘটনার চিত্র আমরা দেখতে পেয়েছি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের । তবে এবার তারই ঘটনা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বি-স্ফো-রক মন্তব্য করে বসলেন অনুব্রত মণ্ডল ।

সাংবাদিকরা যখন এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তখন তিনি বলেন যে এটিই নির্বাচন কমিশনের রুটিন অর্থাৎ এর আগে পর পর দুই বছর তাকে এ কিভাবে নজর ব-ন্দি করে রাখা হয়েছিল । কিন্তু কাজ থেমে থাকেনি । এবারও তাকে নজর-ব-ন্দি করা হয়েছে । কিন্তু কাজ থেমে থাকবে না । যারা বাইরে থাকবে তারাই করবে আসল কাজ । আমি ভোটের দিন সাধারণত বাইরে বের হইনা । নজর-ব-ন্দি মানে এমনটা নয় যে আমি আমার বউয়ের সাথে ঘুমাবো আর ক্যামেরা নিয়ে ওরা দাঁড়িয়ে থাকবে । ঠিক এই মন্তব্যের জন্যই সৃষ্টি হয়েছে জ-ল্পনা এবং উ-ত্তেজনা । তবে অনুব্রত মণ্ডল যে নির্বাচন কমিশন কেন অন্য কাউকে তো-য়াক্কা করেন না সেটি তার বক্তব্য স্পষ্ট ।

Back to top button